মঙ্গলবার পদ্মা সেতুর টোল চূড়ান্ত করে প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করেছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়।
আগামী ২৪ মে এ বিষয়ে সেতু মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে পরিবহন মালিকরা বসতে যাচ্ছেন। তাতে টোলসহ ভাড়া সমন্বয়ের আলোচনা হওয়ার কথা। তবে পরিবহন মালিকরা সেখানে ভাড়া বাড়ানো পক্ষেই যুক্তি তুলে ধরবেন।
গতকাল জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী দেখা যায়, যাত্রীবাহী পরিবহনের ক্ষেত্রে ফেরির তুলনায় সেতুতে টোল কিছুটা বেশি। মোটরসাইকেলসহ ব্যক্তিগত যানবাহনের টোলও ফেরির তুলনায় সামান্য বেড়েছে। তবে পণ্যবাহী যানের ক্ষেত্রে টোল অনেক বেশি ধরা হয়েছে।
পদ্মা সেতুর টোল হার মোটর সাইকেল ১০০ টাকা, কার ও জিপ ৭৫০ টাকা, পিকআপ এক হাজার ২০০ টাকা, মাইক্রোবাস এক হাজার ৩০০ টাকা, ছোট বাস (৩১ আসন বা এর কম) এক হাজার ৪০০ টাকা, মাঝারি বাস (৩২ আসনের বেশি) দুই হাজার টাকা এবং বড় বাস (তিন এক্সেল) দুই হাজার ৪০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বর্তমানে দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার যানবাহন যাতায়াত করে মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া, মাঝিকান্দি ও বাংলাবাজার ফেরিঘাট দিয়ে। এখানে ফেরিভাড়া মোটরসাইকেল ৭০ টাকা, কার বা ছোট জিপ ৫০০ টাকা, মাইক্রোবাস ৮৬০ টাকা, বড় জিপ ৮০০ টাকা, পিকআপ ৯৮০ টাকা, মিনিবাস এক হাজার ২০০ টাকা, মাঝারি বাস এক হাজার ৭১০ টাকা, বড় বাস দুই হাজার ৩১০ টাকা, ট্রাক (তিন থেকে পাঁচ টন) এক হাজার ৮০ টাকা, ট্রাক (আট টনের ওপরে) এক হাজার ৮৫০ টাকা এবং ১০ চাকার পণ্যবাহী ট্রাক তিন হাজার ৯৪০ টাকা।
তবে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, পদ্মা সেতুর যে টোল নির্ধারণ করা হয়েছে, তা এই পথের শেষ টোল নয়। পদ্মা সেতুর সঙ্গে মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের টোলও দিতে হবে। এতে এই পথে যাতায়াতকারীদের সড়ক ও সেতুর দুটি টোল দিতে হবে। তাই পদ্মা সেতু ও ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের টোল সাধারণ মানুষের জন্য বোঝা হয়ে যাচ্ছে কি না তা দেখা উচিত।


