রোববার ১৭মে সকাল থেকে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটের উভয়পাড়ে ভিড় বাড়ছে যাত্রীদের। লঞ্চ ও স্পিডবোর্ড বন্ধ থাকায় যাত্রীরা ফেরিতে পারাপার হচ্ছেন, এ সময় সামাজিক দূরত্ব না মেনে যাতায়াত করছেন অধিকাংশ যাত্রী।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্পোরেশন শিমুলিয়া ঘাটের সহকারি ব্যবস্থাপক শাফায়েত আহমেদ বিষয়টি অবগত করেছেন।
তিনি জানান, সরকারি নির্দেশনা পাওয়ার পর এই নৌরুটে চলাচল কারী১৭ টি ফেরির মধ্যে ১০টি চলাচল বন্ধ রাখা হয়। তবে জরুরি প্রয়োজনে অ্যাম্বুলেন্স ও সরকারি প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পারাপারের জন্য ৭টি ফেরি সীমিত আকারে চলাচল করতো। কিন্তু বর্তমানে যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় ১২ থেকে ১৪ টি সচল রয়েছে।
শাফায়েত আহমেদ বলেন, ফেরি গুলোতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গাদাগাদি করে আসছেন যাত্রীরা। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় দক্ষিণ অঞ্চলের হাজার হাজার যাত্রী ভ্যান, মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকে চরে ঘাটে এসে ভিড় জমাচ্ছেন, পাড়ি দিচ্ছেন পদ্মা নদী। সাত কিলোমিটার এই নৌরুটে ছোট-বড় যানবাহন চাপ রয়েছে তবে মধ্যরাতের ছোট গাড়ি ও পণ্যবাহী গাড়ির অত্যধিক চাপ থাকে। ভোর থেকে এখনো যাত্রী ও যানবাহনের চাপ অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে বরিশালগামী এক যাত্রী জানান, সাধারণ ছুটিতে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার পাশাপাশি রাজধানীতে শপিংমল বিপণিবিতান ও মার্কেটগুলো বন্ধ থাকায় আগেভাগেই গ্রামের বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন।
তবে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় ছোট ছোট যানবহনে বিকল্প সড়ক পথে ভোগান্তি মাথায় করে শিমুলিয়া ঘাটে পৌঁছতে হয়েছে তাকে, এতে ভাড়া গুনতে হয়েছে দ্বিগুণ।


