প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম আজ ১৭ মে সোমবার দুপুর তিনটার দিকে পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় যান।স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে তিনি হেনস্তার শিকার হন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে একটি কক্ষে রোজিনা ইসলামকে ৬ ঘন্টা আটকে রাখা হয় এবং তাঁর মুঠোফোন কেড়ে নেওয়া হয়।৬ ঘণ্টা আটকে রেখে মানসিক নির্যাতনের ফলে তিনি দুই দফা অচেতন হয়ে পড়েন।অতঃপর তাকে সচিবালয় আটকে রেখে শাহবাগ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। শাহবাগ থানায় রোজিনা ইসলামের নামে মামলাও দায়ের করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
একজন সাংবাদিক হিসেবে জাতির বিবেকের কাছে আমার প্রশ্ন হচ্ছে? আমাদের কাজ কি শুধু প্রেস রিলিজ সংগ্রহ এবং প্রেস কনফারেন্স কাভার করা। সাংবাদিকরা কি ন্যায়কে ন্যায় আর অন্যায় কি অন্যায় বলতে পারবে না? কাউকে তোষামোদি করলে ঠিক আছে কিন্তু বিরুদ্ধে কিছু লিখতে গেলে পিঠে পরবে এটা কোন ধরনের ব্যবহার সাংবাদিকদের সাথে।
সাংবাদিক হিসেবে নয় একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে রোজিনা ইসলামের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা দেয়ায় এবং ৬ ঘন্টা যাবত স্বাস্থ্য সচিবের পাশের রুমে আটকে রেখে তার ওপর নির্যাতনের সঠিক তদন্ত ও বিচার দাবি করছি।


