মামলা সূত্রে জানা যায়, রাসেল আহমেদ বয়স ৩২ বছর। তিনি সখিপুর থানার চরভাগা ইউনিয়নের গৌরঙ্গ বাজার এলাকার বাসিন্দা। তিনি একজন বিবাহিত ব্যক্তি। এছাড়া তিনি চরভাগা ইউনিয়ন যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক এবং সখিপুর হাজী শরীয়তউল্লাহ কলেজের নিম্নমান সহকারী কারনীক।
এছাড়া পালিয়ে যাওয়া কলেজ পড়ুয়া গৃহবধূ কেয়া আক্তার বয়স ২৩ সখিপুর ইউনিয়নের রারি কান্দি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি হাজী শরীয়তউল্লাহ কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রী। তার চার বছরে একটি ছেলে রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সখিপুরের ডি এম খালী ইউনিয়নের এক যুবকের সঙ্গে ২০১৬ সালে পারিবারিকভাবে কেয়া আক্তার এর বিবাহ হয়। কেয়া আক্তার হাজী শরীয়ত উল্লাহ কলেজে পড়াশোনা করতেন সে সুবাদে কলেজের নিম্নমান সহকারীর রাসেল আহমেদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ১৭ অক্টোবর সখিপুর এলাকা থেকে যুবলীগ নেতা রাসেল আহমেদ এর সঙ্গে কলেজ ছাত্রী কেয়া আক্তার পালিয়ে যান। এখনো তারা নিখোঁজ রয়েছেন।

