প্রতিদিন বাড়ছে শরীয়তপুরে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। শরীয়তপুর জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জেলায় বর্তমানে মোট করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ৬৬ জন।
সরকার সীমিত আকারে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলার ঘোষণা দেওয়ার পরে শরীয়তপুরের বিপণিবিতানগুলো খোলা হয়। ব্যবসায়ীরা পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে পসরা সাজায়। সরকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলার ক্ষেত্রে যে শর্তগুলো প্রদান করে কোন শর্তই মানতে নারাজ ব্যবসায়ীরা এবং ক্রেতারা।
সরকার সামাজিক দূরত্বের কথা বললেও এখানে কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেল উল্টো চিত্র। এখানে ক্রেতাদের সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে দোকানিরা আর সামাজিক দূরত্বতো দূরের কথা পারলে একজনের গায়ের উপরে একজন উঠে পড়েন।
আংগারিয়া বাজারে প্রচুর ভিড় লক্ষ করা গেল। বাজার ঘুরে অনেকে দেখা গেল ছোট বাচ্চা নিয়ে ঈদের শপিং করার জন্য আসছেন, অনেকের মুখে মাক্স নেই। অনেকে একসাথে গাদাগাদি করে দোকানে ঢুকছেন। সামাজিক দূরত্ব মানার কোনো বাদ বিচার নেই। তবে এক্ষেত্রে পুলিশ প্রশাসন এবং এফ.সি আংগারিয়ার সদস্যদের কার্যক্রম চোখে পড়ার মতো। তারা সরকারের দিক নির্দেশনা এবং শর্তগুলো মানুষকে বোঝানোর জন্য আপ্রাণ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে কিন্তু কোন কিছুতেই কোন কাজ হচ্ছে না।
শরীয়তপুর পালং বাজারের চিত্র একই ধরনের সেখানেও পুলিশ প্রশাসন তাদের সাধ্যমত প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ক্রেতা ও দোকানদারদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য। কোন কিছুতেই কাজ হচ্ছে না।
এমতাবস্থায় জেলা প্রশাসন ,দোকান মালিক সমিতি এবং পুলিশ প্রশাসন আগামীকাল থেকে শরীয়তপুর পূর্বের ন্যায় দোকানপাট বন্ধ ঘোষণা করছে।
আজ দুপুরে শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অতএব কাল থেকে শরীয়তপুর জেলা দ্বিতীয়বারের মতো আবার সম্পূর্ণরূপে "লকডাউন" হচ্ছে ।



