কয়েকটি শর্ত মেনে কাল বৃহস্পতিবার থেকে সাধারণ মুসল্লিরা মসজিদে জামাতে নামাজ আদায় করতে পারবেন আজ বুধবার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে একথা বলা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব এর কারণে সারাদেশে জনসমাগমের বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। এর প্রেক্ষিতে ধর্মমন্ত্রণালয় মসজিদে পাঁচ ওক্ত নামাজ, জুমা ও তারবীর জামাত সীমিত আকারে আদায়ের জন্য নির্দেশনা জারি করেছিল। দেশের শীর্ষ আলেম ওলামাগণ পবিত্র রমজানের গুরুত্ব বিবেচনা করে মসজিদে নামাজ আদায়ের শর্ত শিথিল করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবর দাবি জানিয়েছেন। সার্বিক বিবেচনায় কিছু কিছু ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছে সরকার।
এই পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনা মেনে বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়ে কাল বৃহস্পতিবার থেকে সুস্থ মুসল্লিদের মসজিদে জামাতে নামাজ আদায়ের সুযোগ দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। এ পরিস্থিতিতে বেশকিছু শর্তে মসজিদে জামাতে নামাজ আদায়ের অনুমতি দেওয়া হল।
শর্তগুলো হলো :
# মসজিদের কার্পেট বিছানো যাবে না।
#পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পূর্বে মসজিদ জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে।
#মুসল্লীরা নিজ দায়িত্বে জায়নামাজ নিয়ে আসবেন।
#মসজিদের প্রবেশদ্বারের স্যানিটাইজার,হাত ধোয়ার ব্যবস্থা সহ সাবান পানি রাখতে হবে।
#মুসল্লিদের অবশ্যই মাক্স পড়তে হবে।
# প্রত্যেক মুসল্লিকে নিজ নিজ বাসা থেকে অজু করে আসতে হবে।
#প্রত্যেক মুসল্লিকে বাসায় সুন্নত নামাজ আদায় করে মসজিদে আসতে হবে।
#ওযু করার সময় কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে।
#নামাজে কাতারে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব অর্থাৎ তিন ফুট পরস্পর দূরে দাঁড়াতে হবে।
#এক কাতার পরপর কাতার করতে হবে।
#শিশু,বৃদ্ধ,অসুস্থ ব্যক্তি ও অসুস্থদের সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তি জামাতে অংশ নিতে পারবেন না।
#সংক্রমণ রোধ নিশ্চিত করতে মসজিদের ওজুখানা সাবান বাস হ্যান্ডসেটের রাখতে হবে।
#মসজিদের সংরক্ষিত টুপি ও জায়নামাজ ব্যবহার করা যাবে না।
#মসজিদে ইফতার ও সাহরীর আয়োজন করা যাবে না।
সর্বসাধারণের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য বিভাগ স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নির্দেশনা অবশ্যই মানতে হবে।


