আওয়ামী লীগের ঘাঁটিতে নৌকার পরাজয় নাকি অশনি-সংকেত : সাবেক ছাত্রনেতা হাসান

0


 আওয়ামী লীগের ঘাটি হিসেবে যেসব এলাকা পরিচিত সেসব এলাকায় নৌকার পরাজয় মানে স্থানীয় দলীয় রাজনীতির কোন্দল নাকি প্রার্থী বাছাইয়ে অযোগ্যতা?। বর্তমানে তৃনমূল নেতা কর্মীদের সাথে তাদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকা আর নির্বাচন আসলে নমিনেশন নিয়ে সরগরম হওয়ার রেজাল্ট নৌকার পরাজয়,স্বতন্ত্রের বিজয়। দেশের বিভিন্ন জেলায় এর চিত্র গতকাল দেখাগেছে।


টানা দল ক্ষমতায়,তাই ত্যাগীদের খোজ খবর না  রাখা,তাদের দূরে ঠেলে দেওয়া,বিভিন্ন দল থেকে দুধের মাছিদের প্রথম সারিতে যায়গা দেওয়া,তারেই ফলাফল নৌকার পরাজয়।


বিএনপি-জামাতের আমলে যারা আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের বাঁশ দিয়েছে তাদের জামাই আদর করে রাখা,তারেই খেসারত আওয়ামীলীগের ঘাটি এলাকায় নৌকার পরাজয় আর স্বতন্ত্র প্রার্থীর বিজয় লাভ।এসব দলীয় কোন্দল,ত্যাগীদের যথাযথ মূল্যায়ন আর যোগ্যদের প্রার্থী না করলে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে এই সব আওয়ামীলীগ ঘাটি এলাকায় নৌকার বিশাল পরাজয় সুনিশ্চিত। 


সুষ্ঠু নির্বাচন হলেই নেতাকর্মীরা তাদের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটাবে এটাই বাস্তবতা। 


তাই দয়াকরে প্রত্যেকটি এলাকার দলীয় নীতিনির্ধারক যারা আছেন, তারা প্রকৃত নেতাকর্মীদের দিকে নজর দিন।ধার করে অন্যদল থেকে আর কাউকে দলে আনার দরকার নেই।

আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী যা আছে এদেরকেই বাচিঁয়ে রাখুন।


বিরোধীদলে থাকলে নৌকায় উঠার অনেক যায়গা থাকে কর্মীদের জন্য,

আর ক্ষমতায় থাকলে এতো নেতা নৌকায় উঠে যায় যে প্রকৃত কর্মীদের আর যায়গা হয় না,

নেতাদের ভীড়ে  নৌকাই ডুবে যায়।


তাই নৌকা ডুবাইয়েন না দয়াকরে।নৌকার কর্মীদের দিকে নজর দিন।এতো আওয়ামীলীগের দরকার নেই।দূর্দীনের কর্মীদের বাঁচান।তারা বাঁচলে আপনারাও বাঁচবেন।


এসব এলাকায় নৌকার পরাজয় মানে অশনিসংকেত।বর্তমানে এই সব এলাকায় দূর্দিনের ত্যাগী আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের থেকে বিএনপির নেতাকর্মীরা ভালো আছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)
To Top