ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণা না হলেও শুরু হয়েছে প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া। দলীয় নিজস্ব টিম, বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে ক্লিন ইমেজের প্রার্থীদের খোজা হচ্ছে। দীর্ঘদিনের ত্যাগী ও পরীক্ষিত, সর্বজন গ্রহণযোগ্য কর্মীর হাতেই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা তুলে দিতে চায় দলীয় হাইকমান্ড।
উল্লেখ্য, গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে যারা দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে "বিদ্রোহী" প্রার্থী হয়েছিলেন, তাদের জন্য এবারের মনোনয়নের দরজা বন্ধ। এছাড়া স্বাধীনতা বিরোধী পরিবারের সদস্য, হাইব্রিডদের "না" জানাবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারক ফোরামের একাধিক নেতা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ এ প্রসঙ্গে বলেন,দেশের মানুষ উন্নয়ন ও স্থিতিশীল পরিবেশ চায়,যা বজায় রাখতে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সক্ষম হয়েছেন। সে কারণেই চলমান পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা নিরঙ্কুশ সমর্থন নিয়ে জয়যুক্ত হচ্ছেন। আশাকরি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও সে ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।
তিনি বলেন, বিদ্রোহীদের ব্যাপারে আমাদের কঠোর অবস্থান যারা বিগত সময়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছিলেন তারা এখন দলীয় মনোনয়ন কিংবা পদ-পদবী ও পাবেন না। গত এক যুগে অনেকে নানা দল থেকে যোগদান করে আওয়ামী লীগার হয়ে গেছেন। মনোনয়নের ব্যাপারে আমরা সতর্ক রয়েছি। কোন স্বাধীনতাবিরোধী কিংবা অন্য দল থেকে আসা কাউকে মনোনয়ন দেবোনা। সবার কাছে গ্রহণযোগ্য, ত্যাগী ও পরীক্ষিত ব্যক্তির হাতে নৌকা তুলে দেওয়া হবে।


