গত তিন দিন যাবত তীব্র স্রোতের কারণে পদ্মা নদীর মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ও মাদারীপুরের বাংলাবাজার নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে।ফেরি বন্ধ থাকায় এই নৌ রুটে চলাচলকারী যাত্রী ও যানবাহন চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।
পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ও উত্তরাঞ্চলের বন্যার পানি পদ্মা নদীতে আসার ফলে তীব্র স্রোতের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে কোন ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে গত বুধবার বেলা দুটা থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ ঘোষণা করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্পোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)।
ফেরি বন্ধ থাকার ফলে লঞ্চে যাত্রী চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই কারণে লঞ্চ গাদাগাদি করে, অতিরিক্ত যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে। ফলে করোনার স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব উপেক্ষিত হচ্ছে। লঞ্চ মালিকরা অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের লক্ষে প্রতিটি লঞ্চের ধারণক্ষমতার থেকে ২০ থেকে ৩০ জন অতিরিক্ত যাত্রী তুলছেন প্রতিটি লঞ্চে।
শিমুলিয়া ঘাটের অপেক্ষারত একাধিক যাত্রী সূত্রে জানা যায়, ঘাটের লঞ্চ ভেরা মাত্র সবাই হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন। লঞ্চের মালিকপক্ষ এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি যাত্রী তুলছেন লঞ্চে। পদ্মার তীব্র স্রোত এবং ঢেউয়ের কারণে ঝুঁকি নিয়ে চলছে লঞ্চগুলো। এতে যেকোনো সময় ঘটে যেতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।
অপরদিকে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্পোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) শিমুলিয়া ঘাট এর ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) ফয়সাল আহমেদ জানান, ঘাট এলাকায় কোন গাড়ি অপেক্ষমান অবস্থায় নেই। গত কয়েক দিনের তুলনায় পদ্মা নদীর পানি ও স্রোতের তীব্রতা বেড়েছে। ফলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় না ফেরা পর্যন্ত ফেরি চালু হওয়ার সম্ভাবনা আপাতত নেই।


