আজ রবিবার বিকেলে সচিবালয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার ব্যাপারে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় এবং সেইসাথে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পরে করণীয় বিষয় বৈঠকে নির্ধারিত করে দেওয়া হয়।
এ সম্পর্কে শিক্ষা মন্ত্রী বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার পর করোনা পরিস্থিতির ওপর কঠোর নজর রাখা হবে। যখন কোন এলাকায় সংক্রমণ মাত্রা বেড়ে যাবে ওই এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হবে। শুরুর দিকে ২০২১ সালে যারা এসএসসি ও এইচএসসি এবং ২০২১ সালে যারা এসএসসি পরীক্ষা দেবেন তাদের প্রতিদিন স্কুলে আসতে হবে। এছাড়াও পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন ক্লাস করবে।
এছাড়া ১২ সেপ্টেম্বর শুরুর দিন চার - পাঁচ ঘন্টা ক্লাস চলবে। পর্যায়ক্রমিক ক্লাসের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হবে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে চেকলিস্ট পূরণ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে হবে। রেনডম স্যাম্পলিং করে সংক্রমণের ঝুঁকি থাকলে স্কুল বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। স্কুলে প্রবেশের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের সারিবদ্ধ ভাবে প্রবেশ করতে হবে। স্কুলে আপাতত কোনো অ্যাসেম্বলি হবে না। তবে ফিজিক্যাল অ্যাকটিভিটি বা খেলাধুলা চলবে যাতে শারীরিক ও মানসিকভাবে ভালো অবস্থানে থাকতে পারে শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষামন্ত্রী সভাপতিত্বে বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন ও যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল।
এছাড়া বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মোঃ মাহবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের সচিব মোঃ আমিনুল ইসলাম খান, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মোহাম্মদ মনসুর আলম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবিএম খুরশিদ আলম সহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।


