কৃষি জমিতে বন্যার পানি প্রবেশ করায় শরীয়তপুরে ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। বন্যার পানিতে জেলার নতুন নতুন এলাকা তলিয়ে গেছে। এতে বিপাকে পড়েছেন বন্যাকবলিত এলাকার মানুষ।এ ছাড়া শরীয়তপুরের নড়িয়া, জাজিরা ও ভেদরগঞ্জ এর তিন উপজেলার ৫৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বন্যার পানি উঠে গিয়েছে।এ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কোন কোনটির মধ্যে প্রায় হাঁটু সমান পানি উঠে পড়েছে। এতে স্কুল খোলা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কর্তৃপক্ষ। এরমধ্যে নড়িয়া উপজেলার ২২ টি, জাজিরা উপজেলায় ১৯ টি, ভেদরগঞ্জ উপজেলা চারটির মাঠে পানি উঠেছে, আর ৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শ্রেণিকক্ষে পানি প্রবেশ করেছে।
অপরদিকে আজ সকাল ৬ টায় শরীয়তপুরের পদ্মার পানি বিপদসীমার ৪৪ সেন্টিমিটার এর উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে এবং পদ্মার তীরবর্তী অঞ্চলে নদী ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে। বন্যা কবলিত এলাকার পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছেন প্রায় ৫০ হাজার মানুষ। সরকারিভাবে যে ত্রাণ সহায়তা দেয়া হচ্ছে তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।
শরীয়তপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানি এসে পদ্মার পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে, পদ্মার তীরবর্তী বিভিন্ন এলাকায় ভাঙ্গন ও নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন বন্যা ও ভাঙ্গন কবলিত এলাকার মানুষজন। জাজিরা সড়কে পানি উঠে পড়ায় যানবাহন চলাচলে পড়তে হচ্ছে বিরম্বনায়। ভাঙ্গন ঠেকাতে পদ্মা, মেঘনা ও কীর্তিনাশা নদীর ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় বালুভর্তি জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেলে ভাঙ্গন রোধের চেষ্টা চালাচ্ছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।


