শরীয়তপুরের মাঝির ঘাট থেকে মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া নৌরুটে লঞ্চ পারাপারের টোল আদায়ের বন্ধের নির্দেশ থাকলেও অবৈধভাবে যাত্রীদের কাছ থেকে ৫-১০ টাকা করে টোল আদায় করা হচ্ছে।লঞ্চঘাটে প্রশাসনের তদারকি না থাকায় যাত্রীদের কাছ থেকে প্রতিদিন গড়ে অবৈধভাবে আদায় করা হচ্ছে ১-১.৫০ লক্ষ টাকা।
২০১৫ সালে দেশের সকল লঞ্চঘাট থেকে ইজারা প্রথা বাতিল করে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মতে, টিকিটের লঞ্চ ভাড়া সাথে অতিরিক্ত ২ টাকা আদায়ের মাধ্যমে ভাড়ার সমন্বয় করা হয়ে থাকে। কিন্তু নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অমান্য করে মঙ্গল মাঝি সত্তার মাদবর লঞ্চঘাটে ঢোকার পথে যাত্রীদের কাছে থেকে ৫-১০ টাকা টোল হিসাবে আদায় করা হচ্ছে। যাত্রীরা যদি বাড়তি টাকা প্রদানে অস্বীকার করে তাহলে ঘাটের লোকজন যাত্রীদের সাথে খারাপ ব্যবহার করে, সেজন্য বাধ্য হয়ে যাত্রীরা এই অতিরিক্ত চাঁদা দিতে বাধ্য হচ্ছেন।
উল্লেখ্য, গতকাল ২০ সেপ্টেম্বর মঙ্গল মাঝিরঘাট হয়ে ঢাকা আসার পথে আমি নিজেও এই অবৈধ চাঁদা দিতে বাধ্য হই এবং এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চাইলে তারা কেউ সদুত্তর দিতে পারেনি। আমি খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, অবৈধ চাঁদা আদায়ের সাথে স্থানীয় প্রভাবশালীরা জড়িত।


