সারাবছর দেশে ফুলকপি পাওয়া গেলেও শীতকাল হলো সবজিটি উৎপাদনের মূল সময়কাল। ফুলকপি একটি পুষ্টিগুণ ভরপুর সবজি। বাংলাদেশ সাদা, হলুদ বা বাদামি বর্ণের এবং সবুজ বর্ণের ফুলকপি পাওয়া যায়।
ফুলকপির বেশকিছু পুষ্টি গুন রয়েছে যা জেনে রাখা ভালো :
কোলেস্টেরল কমায় : ফুলকপিতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে। যা শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে।
হাড় ও দাঁতকে শক্ত করে : ফুলকপিতে রয়েছে দাঁত ও মাড়ির উপকারী ক্যালসিয়াম ও ফ্লোরাইড যা হাড়কে শক্ত করে।
ওজন কমাতে : ফুলকপি মস্তিষ্ক ভালো রাখে, ওজন কমায় ও সর্দি কাশিসহ নানা রোগ প্রতিরোধ করে।
ক্যান্সার প্রতিরোধী: ফুলকপি মারাত্মক ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে পারে। এতে রয়েছে সালফোরপেন যা ক্যান্সার কোষ কে মেরে টিউমার বাড়তে দেয় না। স্তন ক্যান্সার ও মূত্র থলির ক্যান্সারের জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতাও আছে ফুলকপির।
হৃদরোগের জন্য উপকারী : ফুলকপির হৃদরোগের রোগীদের জন্য ভালো। এতে যে সালফোরপেন রয়েছে তা হৃদরোগের বিরুদ্ধে লড়াই করে।
শক্তি যোগায় : ফুলকপিতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন রয়েছে যা রক্ত তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গর্ভবতী মা ও অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম করা মানুষের জন্য ফুলকপি অতি প্রয়োজনীয়।
পরিপাকতন্ত্র ভালো : রাখে ফুলকপি পরিপাকতন্ত্রকে ভালো রাখতে সাহায্য করে।
দৃষ্টিশক্তি বাড়ায় : চোখের যত্নে ফুলকপির কোন তুলনা হয়না। ফুলকপিতে থাকা ভিটামিন এ চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। চোখকে সুস্থ রাখতে বেশি করে ফুলকপি খাওয়া উচিত।

