আগামী ১১ নভেম্বর দ্বিতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে শরীয়তপুর সদর উপজেলার চিতলিয়া ইউনিয়নের সকল প্রার্থীকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত করার ঘটনায় ওই ইউনিয়নের নির্বাচন স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
গতকাল ৮ নভেম্বর সোমবার সন্ধ্যার দিকে ইলেকশন কমিশন (ইসির) নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার উপসচিব আতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত নির্বাচন স্থগিত সংক্রান্ত একটি চিঠি শরীয়তপুর জেলা নির্বাচন অফিসে পাঠানো হয়।
শরীয়তপুর জেলা নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, শরিয়তপুর সদর উপজেলা চিতলিয়া ইউনিয়নের নির্বাচন আগামী ১১ ই নভেম্বর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপের অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। উক্ত চিতলিয়া ইউনিয়নের ৩ জন প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে, ৪৮ জন প্রার্থী মেম্বার পদে এবং ১২ জন প্রার্থী সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে মনোনয়ন দাখিল করেন। তাদের সকলের মনোনয়ন বৈধ বলে গণ্য হয়েছিল। অতঃপর নির্বাচন অফিস গত ২৬ অক্টোবর জানান, সকলের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। তবে গত ২৭ অক্টোবর প্রতীক বরাদ্দের দিন রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে সামনে কমপক্ষে ৩০ জন প্রার্থী বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এ সময় তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা কেউ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি।
এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব আইন মোঃ মাহবুবুর রহমান ও কমিশনের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব মোঃ আবু ইব্রাহীমের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় এবং তাদেরকে ৫ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করা হয়। তারা গত ৩ নভেম্বর ৪ নভেম্বর শরীয়তপুরের তদন্ত শেষ করে।
এ বিষয়ে জেলা নির্বাচন অফিসার জাহিদ হাসান বলেন, চিতলিয়া ইউনিয়নের সকল প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হওয়ার বিষয় আজ বিকেলে ইসি নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার উপসচিব আমাকে চিতলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন স্থগিত থাকবে বলে জানান। তবে এ বিষয়ে লিখিত কোনো চিঠি এখনো এসে হাতে পৌঁছায়নি। আজকের মধ্যে চিঠি এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। বিষয়টি চিতলিয়া ইউনিয়নের রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে।

